• আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয় নীতি
  • বিজ্ঞাপন
  • যোগাযোগ করুন
  • শর্তাবলী
  • জাগোরিকে লিখুন
Tuesday, August 25, 2026
  • Login
Jagorik
  • একাডেমিক
    • সকল শ্রেণির বই
    • প্রথম শ্রেণী
    • দ্বিতীয় শ্রেনী
    • তৃতীয় শ্রেণী
    • চতুর্থ শ্রেণি
    • পঞ্চম শ্রেণি
    • ষষ্ঠ শ্রেণি
    • সপ্তম শ্রেণি
      • সপ্তম শ্রেণি: ইংরেজি
      • সপ্তম শ্রেণি: বাংলা ২য়
      • সপ্তম শ্রেণি: ডিজিটাল প্রযুক্তি
    • অষ্টম শ্রেণী
    • বিদেশে পড়াশোনা
      • স্কলারশিপ
      • আমেরিকা
      • ফিনল্যান্ড উচ্চ শিক্ষা
      • ভারত
      • ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং
    • বিসিএস পরীক্ষা
  • এসএসসি
  • এইচএসসি
  • অনার্স
  • মাস্টার্স
  • স্কিল
    • এসইও
    • ওয়েব ডিজাইন
    • কোডিং শিখুন
    • অনলাইনে ইনকাম
    • ফ্রিল্যান্সিং শিখুন
  • স্বাস্থ্যবার্তা
    • ঔষধের নাম
    • স্বাস্থ্য
    • ত্বকের যত্ন
    • নারী স্বাস্থ্য
    • বিউটি টিপস
    • মা ও শিশু
  • আইন
  • চাকরি
  • অন্যান্য
    • আবেদন পত্র
    • জাগোরিক স্পেশাল
    • উপবৃত্তি
    • ইতিহাস ও ঐতিহ্য
    • জানা-অজানা
    • সপ্তম শ্রেণি: ইংরেজি
    • তথ্য প্রযুক্তি
    • ইংরেজি শিখুন
    • লতা-পাতা
  • সাধারণ জ্ঞান
  • কুইজ
    • আমার প্রতিষ্ঠান
    • গেস্ট ব্লগিং
  • দোয়া
  • শিক্ষা সংবাদ
No Result
View All Result
  • একাডেমিক
    • সকল শ্রেণির বই
    • প্রথম শ্রেণী
    • দ্বিতীয় শ্রেনী
    • তৃতীয় শ্রেণী
    • চতুর্থ শ্রেণি
    • পঞ্চম শ্রেণি
    • ষষ্ঠ শ্রেণি
    • সপ্তম শ্রেণি
      • সপ্তম শ্রেণি: ইংরেজি
      • সপ্তম শ্রেণি: বাংলা ২য়
      • সপ্তম শ্রেণি: ডিজিটাল প্রযুক্তি
    • অষ্টম শ্রেণী
    • বিদেশে পড়াশোনা
      • স্কলারশিপ
      • আমেরিকা
      • ফিনল্যান্ড উচ্চ শিক্ষা
      • ভারত
      • ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং
    • বিসিএস পরীক্ষা
  • এসএসসি
  • এইচএসসি
  • অনার্স
  • মাস্টার্স
  • স্কিল
    • এসইও
    • ওয়েব ডিজাইন
    • কোডিং শিখুন
    • অনলাইনে ইনকাম
    • ফ্রিল্যান্সিং শিখুন
  • স্বাস্থ্যবার্তা
    • ঔষধের নাম
    • স্বাস্থ্য
    • ত্বকের যত্ন
    • নারী স্বাস্থ্য
    • বিউটি টিপস
    • মা ও শিশু
  • আইন
  • চাকরি
  • অন্যান্য
    • আবেদন পত্র
    • জাগোরিক স্পেশাল
    • উপবৃত্তি
    • ইতিহাস ও ঐতিহ্য
    • জানা-অজানা
    • সপ্তম শ্রেণি: ইংরেজি
    • তথ্য প্রযুক্তি
    • ইংরেজি শিখুন
    • লতা-পাতা
  • সাধারণ জ্ঞান
  • কুইজ
    • আমার প্রতিষ্ঠান
    • গেস্ট ব্লগিং
  • দোয়া
  • শিক্ষা সংবাদ
No Result
View All Result
Jagorik
No Result
View All Result

চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | বাংলাদেশের প্রকৃতি | অনুশীলনীর প্রশ্ন উত্তর

Jagorik Editor by Jagorik Editor
in চতুর্থ শ্রেণি বাংলা
Reading Time: 2 mins read
A A
0
ফেসবুকে শেয়ার করুনটুইটারে টুইট করুনপিন্টারেস্টে পিন করুনলিংকডিনে শেয়ার করুন

চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | বাংলাদেশের প্রকৃতি | অনুশীলনীর প্রশ্ন উত্তর: চতুর্থ শ্রেণির বাংলা বিষয়টির বাংলাদেশের প্রকৃতি গল্পটির অনুশীলনী হতে গুরুত্বপূর্ণ সব প্রশ্ন উত্তর গুলো আমাদের এই পোস্টে আলোচনা করা হয়েছে। অতএব সম্পূর্ণ পোস্টটি মনযোগ সহকারে পড়ুন।

বাংলাদেশের প্রকৃতি

রচনাটি পড়ে জানতে পারব
বাংলাদেশের ঋতুবৈচিত্র্য সম্পর্কে
বৃষ্টির নানা রূপ সম্পর্কে
বিভিন্ন ঋতুতে প্রকৃতির পরিবর্তন সম্পর্কে
ঋতুভেদে বাংলাদেশের মানুষের জীবন যাপন সম্পর্কে
রচনাটির মূলভাব জেনে নিই

ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রতিটি ঋতুতে প্রকৃতি সেজে ওঠে নতুন নতুন রঙে আর রূপে। কখনো রোদ, কখনো বৃষ্টি, কখনো বা কনকনে শীত। কখনো মন মাতে নীল আকাশের সৌন্দর্যে, কখনো আবার দখিনা বাতাসের মিষ্টি পরশে। সব মিলিয়ে সারা বছরই মোহনীয় আমাদের দেশের প্রকৃতি। ষড়ঋতুর কারণেই আমাদের দেশ এত সুন্দর ও বৈচিত্র্যময়।

বানানগুলো লক্ষ করি

ইলশেগুঁড়ি, অগ্রহায়ণ, গ্রীষ্মকাল, জ্যৈষ্ঠ, শরৎকাল, রৌদ্র, অসহ্য, পৃথিবী, ঋতু, দখিন, উত্তুরে, মুষলধারে, আষাঢ়, শ্রাবণ।

৩. ডান দিক. থেকে ঠিক. শব্দ বেছে নিয়ে খালি জায়গায় লিখি।
ক) আমাদের দেশ………… দেশ। সোনালি ধানের
খ) গ্রীষ্মকে বলা হয় …………..। উত্তুরে
গ) বর্ষার ফোটে …….. নানা ফুল। ষড়ঋতুর
ঘ) হেমন্ত ……………… ঋতু। কদম, কেয়া ও আরো
ঙ) শীতকালে ………. হাওয়া বয়। মধুমাস
উত্তর : ক) ষড়ঋতুর খ) মধুমাস গ) কদম, কেয়া ও আরো ঘ) সোনালি ধানের ঙ) উত্তুরে।

৪. ডান দিক. থেকে শব্দ বেছে নিয়ে বাঁ দিকের শব্দের সঙ্গে মেলাই।
যাওয়া —————– ফুরফুরে বাতাস
খেজুরের —————–আসা
বসন্তকাল —————–প্রচণ্ড গরম
পিঠা —————–রস
গ্রীষ্ম —————–পুলি

উত্তর :

যাওয়া আসা
খেজুরের রস
বসন্তকাল ফুরফুরে বাতাস
পিঠা পুলি
গ্রীষ্ম প্রচণ্ড গরম

৫. নিচের ছকের খালি ঘরে বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ঋতুর নাম লিখি।

বৈশিষ্ট্য ঋতুর নাম

আকাশ তখন কালো ঘন মেঘে ছেয়ে যায়।
নদীর পাড় সাদা কাশফুলে ভরে যায়।
রৌদ্রের অসহ্য তাপ
এই ঋতুতে খেজুরের রস দিয়ে তৈরি হয় নানা পিঠাপুলি।
এ সময়ে কৃষকের ঘর সোনালি ফসলে ভরে ওঠে।
গাছে গাছে জেগে ওঠে নতুন সবুজ পাতা।

উত্তর :

বৈশিষ্ট্য ঋতুর নাম

আকাশ তখন কালো ঘন মেঘে ছেয়ে যায়। —————–বর্ষাকাল
নদীর পাড় সাদা কাশফুলে ভরে যায়। —————–শরৎকাল
রৌদ্রের অসহ্য তাপ —————–গ্রীষ্মকাল
এই ঋতুতে খেজুরের রস দিয়ে তৈরি হয় নানা পিঠাপুলি। —————–শীতকাল
এ সময়ে কৃষকের ঘর সোনালি ফসলে ভরে ওঠে। —————–হেমন্তকাল
গাছে গাছে জেগে ওঠে নতুন সবুজ পাতা। —————–বসন্তকাল

৬. নিচের বাক্যটি পড়ি এবং বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ সম্পর্কে জেনে নিই।
কোকিলের ডাক. মিষ্টি।
ব্যক্তি, বস্তু, সময় বা স্থানের নাম হলেই তা বিশেষ্য। উপরের বাক্যটিতে কোকিল হলো বিষেশ্য পদ। কিন্তু কোকিলের ডাক. কেমন? মিষ্টি। এটি বিশেষণ পদ। যে শব্দ বিশেষ্য পদের কোনো গুণ বা চরিত্র প্রকাশ করে, সেটিই বিশেষণ। এখানে বিশেষণ পদ হচ্ছে মিষ্টি।

এবার নিচের বাক্যগুলো পড়ি। বিশেষ্য পদগুলোকে গোল () চিহ্ন দিয়ে ও বিশেষণ পদগুলোর নিচে দাগ. চিহ্ন দিয়ে চিহ্নিত করি।

ক. তখন হাড় কাঁপানো শীত।
খ. আকাশ হয়ে ওঠে ঘন নীল।
গ. ফুরফুরে সুন্দর বাতাস বয়।
ঘ. কোকিলের ডাক. বড়ই মিষ্টি।

উত্তর :
ক. তখন হাড় কাঁপানো শীত।
খ. আকাশ হয়ে ওঠে ঘন নীল।
গ. ফুরফুরে সুন্দর বাতাস বয়।
ঘ. কোকিলের ডাক. বড়ই মিষ্টি।

৭. কর্ম-অনুশীলন।

আমার দেখা চারপাশের প্রকৃতি সম্পর্কে একটি অনুচ্ছেদ লিখি।

উত্তর : আমার চারপাশের প্রকৃতি
আমি যে গ্রামে থাকি সেখানকার প্রকৃতি অত্যন্ত। গ্রামটি সবুজ গাছগাছালিতে ঘেরা। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ছোট একটি নদী। নানা ঋতুতে আমার চারপাশের প্রকৃতি নানা রকম রূপ ধারণ করে। গ্রীষ্মকালে আমের মুকুলের সুবাসে চারদিক. মৌ-মৌ করে। বর্ষাকালে গ্রামের নদীটি ভরে ওঠে।

শরৎকালে নদীতীরের কাশবনে বসে নীল আকাশের সাদা মেঘের খেলা দেখতে বড় ভালো লাগে। হেমন্তে পাকা ধানের মাঠগুলো দেখলে চোখ. জুড়িয়ে যায়। শীতকালে ফোটে গাঁদা আর শিউলি ফুল। বসন্তে সারা গ্রামে যেন নানা রঙের ছড়াছড়ি পড়ে যায়। দখিনা বাতাসে মন আনন্দে নেচে ওঠে।

সঠিক. উত্তরটি লেখ।

১) হালকা বা ঝিরঝির করে যে বৃষ্টি পড়ে তার আরেকটি নাম কী? ছ
ক. হুড়মুড়
খ. ইলশেগুঁড়ি
গ. মুষলধারে
ঘ. ঠকঠক

২) গ্রীষ্মের দুপুরে বের হওয়া যায় না কেন? চ
ক. অসহ্য রৌদ্রতাপ থাকে বলে
খ. প্রচণ্ড শীত থাকে বলে
গ. মুষলধারে বৃষ্টি হয় বলে
ঘ. দখিনা বাতাস থাকে বলে

৩) হেমন্তের আগের ঋতু কোনটি? জ
ক. গ্রীষ্ম
খ. বর্ষা
গ. শরৎ
ঘ. বসন্ত

৪) শরৎকালে আকাশের রং কীরূপ থাকে? ছ
ক. ঘন কালো
খ. ঘন নীল
গ. ছাইরঙা কালো
ঘ. ছাইরঙা নীল

৫) বসন্তের বাতাস কোন দিক. থেকে বয়? ঝ
ক. পূর্ব
খ. পশ্চিম
গ. উত্তর
ঘ. দক্ষিণ

৬) কার্তিক. ও অগ্রহায়ণ মাস মিলে কোন ঋতু? চ
ক. হেমন্ত
খ. শরৎ
গ. গ্রীষ্ম
ঘ. বসন্ত

৭) গ্রীষ্মকে কী বলা হয়?
ক. মিধেমাস
খ. মধুমাস
গ. ঋতুরান
ঘ. ঋতুরানি

৮) কদম, কেয়া ইত্যাদি কোন ঋতুর ফুল?
ক. গ্রীষ্ম
খ. বর্ষা
গ. শরৎ
ঘ. হেমন্ত

৯) ঝমঝম বৃষ্টির কারণে নদীতে কী হয়? জ
ক. বরফ জমে
খ. পানি কমে যায়
গ. ঢল নামে
ঘ. স্রোত কমে যায়

১০) হেমন্তকালের সাথে কোন উৎসবটি জড়িত? ঝ
ক. পহেলা বৈশাখ.
খ. পিঠা উৎসব
গ. পহেলা ফাল্গুন
ঘ. নবান্ন

১১) শীতের সময় কিসের রস দিয়ে মিঠাপুলি তৈরি হয়? চ
ক. খেজুর রস
খ. আখের রস
গ. তালের রস
ঘ. কমলার রস

১২) কোকিলের ডাক. শোনা গেলে বোঝা যাবে- ঝ
ক. বর্ষা এসে গেছে
খ. হেমন্ত এসে গেছে
গ. শরৎ এসে গেছে
ঘ. বসন্ত এসে গেছে

নিচের শব্দগুলোর অর্থ লেখ।

উপুড়, নবান্ন, ফুরফুরে, ঢল।

উত্তর :

শব্দ অর্থ

উপুড়—–নিম্নমুখী, ভূমির দিকে মুখ. করে থাকা অবস্থা।
নবান্ন—–নতুন ফসল ঘরে তোলার উৎসব।
ফুরফুরে—–মনোরম, আনন্দময়।
ঢল—–অতিরিক্তি বৃষ্টিপাতের কারণে পানির বৃদ্ধি।

নিচের শব্দগুলো দিয়ে বাক্য রচনা কর।
ফোঁটা, আকাশ, ফুল, কাপড়, হাওয়া।

উত্তর :

শব্দ বাক্য
ফোঁটা—–ছাদ থেকে পানির ফোঁটা পড়ছে।
আকাশ—–রাতের আকাশে তারা দেখা যায়।
ফুল—–শাপলা আমাদের জাতীয় ফুল।
কাপড়—–মা রোদে কাপড় শুকাতে দিয়েছেন।
হাওয়া—–হাওয়া লেগে গাছের পাতাগুলো কাঁপছে।

শূন্যস্থান পূরণ কর।

ক) এভাবে ভাদ্র-আশ্বিন হচ্ছে —–।
খ) রৌদ্রের অসহ্য —–।
গ) গ্রীষ্মে কী প্রচণ্ড —–।
ঘ) নবান্নের উৎসব ঘরে ঘরে —– নিয়ে আসে।
ঙ) বসন্তে —– ডাকে।
উত্তর : ক) শরৎকাল; খ) তাপ; গ) গরম; ঘ) আনন্দ; ঙ) কোকিল ।

ডান পাশের বাক্যাংশের সাথে বাম পাশের বাক্যাংশের মিল কর।

বর্ষার পরে আসে ———– মুষলধারে বৃষ্টি
বড় বড় ফোঁটায় প্রচুর বৃষ্টির নাম———–মন ভরে যায়
বসন্তে দখিনা হাওয়ায়———–নতুন সবুজ পাতা
কোকিলের ডাক———–শরৎ
গাছে গাছে জেগে ওঠে———–বড়ই মিষ্টি

উত্তর :
বর্ষার পর আসে—–শরৎ।
বড় বড় ফোঁটায় প্রচুর বৃষ্টির নাম—–মুষলধারে বৃষ্টি।
বসন্তে দখিনা হাওয়ায়—–মন ভরে যায়।
কোকিলের ডাক.—–বড়ই মিষ্টি।
গাছে গাছে জেগে ওঠে—–নতুন সবুজ পাতা।

নিচের যুক্তবর্ণগুলো কোন কোন বর্ণ দিয়ে তৈরি ভেঙে দেখাও এবং প্রতিটি যুক্তবর্ণ দিয়ে একটি করে শব্দ গঠন করে বাক্যে প্রয়োগ. দেখাও।
ষ্ট, শ্র, শ্ব, ণ্ড, দ্র, ন্দ।

উত্তর :
ষ্ট = ষ + ট – কষ্ট
=রিকশা চালানো কষ্টের কাজ।

শ্র = শ + র-ফলা ( ্র ) – অশ্রু
=মাকে না পেয়ে শিশুটির চোখে অশ্রু এল।

শ্ব = শ + ব-ফলা – অশ্ব
= অশ্ব খুব দ্রুত দৌড়াতে পারে।

ণ্ড = ণ + ড – দণ্ড
=অন্যায় করলে দণ্ড পেতে হয়।

দ্র = দ + র-ফলা ( ্র ) – ভদ্র
= রফিক. খুব ভদ্র ছেলে।

ন্দ = ন + দ – মন্দ
– আমরা মন্দ কাজ থেকে দূরে থাকব।

নিচের শব্দগুলোর কোনটি কোন পদ লেখ।

বৃষ্টি, ঠাণ্ডা, হাঁটা, আবার, শীত।

উত্তর :
মূল শব্দ পদ মূল শব্দ পদ
বৃষ্টি—–বিশেষ্য আবার—–অব্যয়
ঠাণ্ডা—–বিশেষণ শীত—–বিশেষ্য
হাঁটা—–ক্রিয়া

নিচের শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ করে লেখ।

সরৎ, গ্রীষ্ণ. ঈলশেগুঁড়ি, ণবান্ন, ষঢ়ঋতু

উত্তর :

ভুল বানান—- শুদ্ধ বানান
সরৎ———- শরৎ
গ্রীষ্ণ ———-গ্রীষ্ম
ঈলশেগুঁড়ি———-ইলশেগুঁড়ি
ণবান্ন ———-নবান্ন
ষঢ়ঋতু ———-ষড়ঋতু

এককথায় প্রকাশ কর।

ক) হালকা ঝিরঝিরে বৃষ্টি;
খ) ছয়টি ঋতুর সমাহার;
গ) যা সহ্য করা যায় না;
ঘ) ঘরে ঘরে নতুন ফসলের উৎসব।

উত্তর : ক) ইলশেগুঁড়ি; খ) ষড়ঋতু; গ) অসহ্য;
ঘ) নবান্ন।

নিচের শব্দগুলোর বিপরীত শব্দ লেখ।

শীত, বৃষ্টি, অসহ্য, কাছে, সুন্দর।

উত্তর :

মূল শব্দ —– বিপরীত শব্দ

শীত———–গ্রীষ্ম
কাছে———-দূরে
বৃষ্টি————রোদ
সুন্দর———-কুৎসিত
অসহ্য———সহ্য

চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | বাংলাদেশের প্রকৃতি | অনুশীলনীর প্রশ্ন উত্তর
৪র্থ শ্রেণি আমার বাংলা বই

নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।

ক) ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি কী?
উত্তর : ‘ইলশেগুঁড়ি’ বলতে হালকা ঝিরঝিরে বৃষ্টিকে বোঝায়। এ ধরনের বৃষ্টিতে নদীতে জাল ফেলে জেলেরা অনেক. বেশি ইলিশ মাছ পায়। এ কারণেই এই বৃষ্টির নাম ইলশেগুঁড়ি।

খ) কোন কোন মাস মিলে বর্ষাকাল?
উত্তর : আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস মিলে বর্ষাকাল।

গ) পৌষ আর মাঘ. মাসে কেমন শীত পড়ে?
উত্তর : পৌষ ও মাঘ. মাসে প্রচণ্ড শীত পড়ে। তখন রাত্রে লেপ-কাঁথা গায়ে দিয়ে ঘুমোতে হয়। দিনের বেলাতেও গায়ে জড়াতে হয় গরম চাদর।

ঘ) গ্রীষ্মকালে মানুষ ছাতা ধরে হাঁটে কেন?
উত্তর : গ্রীষ্মকালে দিনের বেলায় অসহনীয় রৌদ্রের তাপ থাকে। তখন বাইরে বের হওয়া মুশকিল হয়ে পড়ে। রৌদ্রের তাপ থেকে বাঁচতে মানুষ ছাতা ধরে হাঁটে।

ঙ) বর্ষার নানা রকম বৃষ্টির বর্ণনা দাও।
উত্তর : বর্ষায় বৃষ্টি বিভিন্ন ধরনের হয়। কখনো বড় বড় ফোঁটায়, কখনো রিমঝিম করে খুব হালকা। ঝিরঝির করে হালকা বৃষ্টি হলে তাকে বলে ইলশেগুঁড়ি। আবার বড় বড় ফোঁটায় প্রচুর বৃষ্টির নাম মুষলধারে বৃষ্টি। কখনো আবার বৃষ্টি পড়ে ঝমঝম করে।

চ) শরৎকালে আকাশের কী অবস্থা থাকে?
উত্তর : শরৎকালে আকাশের রং হয় ঘন নীল। আর নীল মেঘের মাঝে মাঝে সাদা মেঘেরা পেঁজাতুলোর মতো ভেসে বেড়ায়।

ছ) উত্তুরে হাওয়া ও দখিনা হাওয়ার মাঝে পার্থক্য কী?
উত্তর : উত্তুরে হাওয়া ও দখিনা হাওয়ার মাঝে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো :

উত্তুরে হাওয়া
১) উত্তর দিক. থেকে আসে।
২) বসন্তকালে বয়।
৩) শরীরে লাগলে প্রচণ্ড শীতে শরীর শিউরে ওঠে।

দখিনা হাওয়া
১) দক্ষিণ দিক. থেকে আসে।
২) শীতকালে বয়।
৩) শরীরে লাগলে শরীর ও মন আরাম পায়।

জ) কখন কৃষকের ঘর সোনালি ফসলে ভরে ওঠে?
উত্তর : হেমন্তকালে কৃষকের ঘর সোনালি ফসলে ভরে ওঠে।

ঝ) হেমন্তে কৃষকের ঘরে ঘরে আনন্দ নিয়ে আসে কী?
উত্তর : হেমন্তে কৃষকের ঘরে ঘরে আনন্দ নিয়ে আসে নবান্ন উৎসব।

ঞ) গ্রীষ্মকে মধুমাস বলা হয় কেন?
উত্তর : গ্রীষ্মে আম, জাম, কাঁঠাল, আনারস, লিচু ইত্যাদি ফল পাওয়া যায়। এ ফলগুলো মধুর মতোই মিষ্টি। তাই গ্রীষ্মকে মধুমাস বলা যায়।

বুঝিয়ে লেখ

ষড়ঋতুর এত বিচিত্র সুন্দর রূপ পৃথিবীর আর কোথাও নেই।
উত্তর : আলোচ্য লাইনটি ‘বাংলাদেশের প্রকৃতি’ নামক. রচনা থেকে নেয়া হয়েছে।
এখানে বাংলাদেশের অপরূপ ঋতুবৈচিত্র্যের সৌন্দর্যকে তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রকৃতি ঋতুর পালাবদলের সাথে সাথে নিজেকে নতুন রূপে সাজিয়ে তোলে। কখনো রৌদ্রের প্রচণ্ড উত্তাপ, কখনো বৃষ্টির ঝরনা ধারা, কখনো বা শীতের হিম কুয়াশা প্রকৃতিকে বৈচিত্র্যময় করে তোলে। ছয়টি ঋতুর পালাবদলে প্রকৃতির এমন বিচিত্রতা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে দেখা যায় না।

নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ১, ২, ৩ ও ৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রতি দুমাসে হয় একটি ঋতু। যেমন বৈশাখ. ও জ্যৈষ্ঠ মাস দুটো হলো গ্রীষ্মকাল। এরপর আষাঢ়-শ্রাবণ মিলে বর্ষাকাল। এভাবে ভাদ্র-আশ্বিন হচ্ছে শরৎকাল। তার পরে কার্তিক. ও অগ্রহায়ণ মাস দুটি হেমন্তকালে। পৌষ আর মাঘ. মাস হলো শীতকাল। ফাল্গুন ও চৈত্র এ দুমাস বসন্তকাল।

গ্রীষ্মের পর আসে বর্ষা। আকাশ তখন কালো ঘন মেঘে ছেয়ে যায়। বৃষ্টি পড়ছে তো পড়ছেই। কখনো বড় বড় ফোঁটায়, তবে ধীরে ধীরে। কখনো হুড়মুড় করে। কখনো পড়ছে ঝিরঝির করে, খুব হালকা। এ ধরনের বৃষ্টির একটা নাম আছে। একে বলা হয় ইলশেগুঁড়ি। আর বড় বড় ফোঁটায় প্রচুর বৃষ্টির নাম মুষলধারে বৃষ্টি।

হেমন্তের শেষ দিকে শীতের আগমন টের পাওয়া যায়। তখন ভোরবেলায় একটু একটু শীত লাগে। এ সময় উত্তুরে হাওয়া বয়। উত্তর দিক. থেকে আসা এ হাওয়া খুব ঠাণ্ড। শীতের রাতে লেপ-কাঁথা গায়ে দিয়ে ঘুমোতে হয়।

১. সঠিক. উত্তরটি উত্তরপত্রে লেখ।

১) পৌষ ও মাঘ. মাস হলো
(ক) গ্রীষ্মকাল
(খ) শরৎকাল
(গ) শীতকাল
(ঘ) বসন্তকাল

২) বড় বড় বৃষ্টির ফোঁটা অনেক. জোরে পড়লে কী বুঝতে পারবে?
(ক) হালকা বৃষ্টি হচ্ছে
(খ) মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে
(গ) ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে
(ঘ) ঝিরঝিরে বৃষ্টি হচ্ছে

৩) বাংলাদেশে কয়টি ঋতু?
(ক) দুইটি
(খ) ছয়টি
(গ) দশটি
(ঘ) বারোটি

৪) কোন দুটো মাস মিলে হেমন্তকাল?
(ক) বৈশাখ. ও জ্যৈষ্ঠ
(খ) আষাঢ় ও শ্রাবণ
(গ) ভাদ্র ও আশ্বিন
(ঘ) কার্তিক. ও অগ্রহায়ণ

৫) অনুচ্ছেদে প্রকাশিত হয়েছে
(ক) বাংলাদেশের ঋতুবৈচিত্র্যের পরিচয়
(খ) বাংলাদেশের প্রাকৃতিক. সৌন্দর্য
(গ) বাংলাদেশের মানুষের বৈচিত্র্য
(ঘ) বাংলাদেশের নদ-নদীর কথা

উত্তর : ১) (গ) শীতকাল; ২) (খ) মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে; ৩) (খ) ছয়টি; ৪) (ঘ) কার্তিক. ও অগ্রহায়ণ; ৫) (ক) বাংলাদেশের ঋতুবৈচিত্র্যের পরিচয়।

২. নিচের শব্দগুলোর অর্থ লেখ।

মুষল, প্রচুর, বৃষ্টিপাত, আগমন, ষড়।

উত্তর : শব্দ অর্থ
মুষল—–মুগুর।
প্রচুর—–অনেক।
বৃষ্টিপাত—–বাদলের ধারা।
আগমন—–আসা।
ষড়—–ছয়।

৩. নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।
ক) সাধারণত কোন কোন মাসে মুষলধারে বৃষ্টিপাত হতে দেখা যায়?
উত্তর : সাধারণত আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে মুষলধারে বৃষ্টিপাত হতে দেখা যায়।

খ) শীতকালে লেপ-কাঁথা গায়ে দিয়ে ঘুমোতে হয় কেন?
উত্তর : পৌষ আর মাঘ. মাসে উত্তর দিক. থেকে ঠাণ্ডা হাওয়া আসে এসময় তাই শীতের হাত থেকে বাঁচতে লেপ-কাঁথা গায়ে দিয়ে ঘুমোতে হয়।

গ) ইলশেগুঁড়ি ও মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর : ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টির সময় বৃষ্টি হয় ঝিরঝিরিয়ে অর্থাৎ হালকাভাবে। আর মুষলধারে বৃষ্টি বলতে বোঝায় বড় বড় ফোঁটায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়াকে।

৪. অনুচ্ছেদটির মূলভাব লেখ।
উত্তর : বাংলাদেশে দুই মাস পর পর একটি করে ঋতু আসা-যাওয়া করে। এক. এক. ঋতুতে প্রকৃতির এক. এক. রকম চেহারা দেখা যায়। বর্ষাকালে দেখা যায় ইলশেগুঁড়ি কিংবা মুষলধারে বৃষ্টি। আবার শীতকালে প্রচণ্ড শীতে আমরা কেঁপে উঠি। ছয়টি ঋতুর বৈচিত্র্যই এদেশকে রূপসী করে তুলেছে।

নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৫, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

বাবার চাকরির কারণে অহনার শৈশব কেটেছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। বছরখানেক. হলো ওরা বাংলাদেশে ফিরে এসেছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় অহনা দেখেছে চারটি ঋতু- গ্রীষ্ম, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত। এর চেয়ে বেশি ঋতু যে আর কোথাও থাকতে পারে সে ধারণা ছিল না ওর। কিন্তু বাংলাদেশে এসে অহনা অবাক. হয়ে গেল।

বাংলাদেশে আছে ছয়টি ঋতু। প্রতি দুই মাস পর পর একটি করে ঋতু আসে। কোরিয়ার সাথে তফাৎ হলো এদেশের বর্ষা ও শরৎ ঋতুতে। দুটো ঋতুই বিস্ময়কর সুন্দর। বর্ষাকালে দিনমান হয় রিমঝিম বৃষ্টি। মাঠ-ঘাট পানিতে থই থই করে। কদম, কেয়াসহ নানা রকম ফুল ফোটে।

শরতের ঝকঝকে নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেসে বেড়ানো দেখে নয়ন জুড়িয়ে যায়। নদীতীরের কাশফুলের সৌন্দর্য অতুলনীয়। অন্য ঋতুগুলোতেও বাংলাদেশ সেজে ওঠে নানা সাজপোশাকে। অহনার বাবা ওকে বলেন, বাংলাদেশের ষড়ঋতুই এদেশের প্রকৃতিকে এতটা সুন্দর করে তুলেছে।

  • চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | পাঠান মুলুকে | অনুশীলনী ও অতিরিক্ত প্রশ্ন উত্তর
  • চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | কাজলা দিদি | অনুশীলনী ও অতিরিক্ত প্রশ্ন উত্তর
  • চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | পাখির জগৎ | অনুশীলনী ও অতিরিক্ত প্রশ্ন উত্তর

৫. সঠিক. উত্তরটি উত্তরপত্রে লেখ।

১) দক্ষিণ কোরিয়ায় বছরে কয়টি ঋতু আসে-যায়?
(ক) তিনটি
(খ) চারটি
(গ) পাঁচটি
(ঘ) ছয়টি

২) বাংলাদেশের কোন বিষয়টি অহনাকে অবাক. করল?
(ক) শরতের নীল আকাশ
(খ) বর্ষার কদম ফুল
(গ) ষড়ঋতুর আসা-যাওয়া
(ঘ) বসন্ত ঋতুর সৌন্দর্য

৩) ‘একধারে কাশবন ফুলে ফুলে সাদা’- কবিতার চরণটি কোন ঋতুর সাথে মানানসই?
(ক) শীত
(খ) বর্ষা
(গ) শরৎ
(ঘ) হেমন্ত

৪) বাংলাদেশের ছয়টি ঋতু এদেশের প্রকৃতিকেÑ
(ক) উষ্ণ করেছে
(খ) শীতল করেছে
(গ) মনোহর করেছে
(ঘ) অসুন্দর করেছে

৫) অহনার ধারণা ছিল একটি দেশে থাকতে পারে সর্বোচ্চÑ
(ক) একটি ঋতু
(খ) তিনটি ঋতু
(গ) চারটি ঋতু
(ঘ) ছয়টি ঋতু

উত্তর : ১) (খ) চারটি; ২) (গ) ষড়ঋতুর আসা-যাওয়া; ৩) (গ) শরৎ; ৪) (গ) মনোহর করেছে; ৫) (গ) চারটি ঋতু।

৬. নিচে কয়েকটি শব্দ ও শব্দার্থ দেওয়া হলো। উপযুক্ত শব্দ দিয়ে নিচের বাক্যগুলোর শূন্যস্থান পূরণ কর।

শব্দ———-অর্থ
শৈশব ———-ছেলেবেলা
অতুলনীয় মিল —– পাওয়া যায় না এমন
থই থই ———-টইটম্বুর অবস্থা
বিস্ময়কর ———-অবাক. করার মতো
তফাৎ ———-পার্থক্য
দিনমান ———-সারাদিন

ক) জিরাফ এক. —– প্রাণী।
খ) আজ —– সূর্য মেঘে ঢাকা ছিল।
গ) শীত আর গ্রীষ্মের আবহাওয়ার মধ্যে অনেক. —–।
ঘ) ছোট নদীটি পানিতে —– করছে।
ঙ) —– হলো মানবজীবনের সবচেয়ে আনন্দময় সময়।

উত্তর : ক) বিস্ময়কর; খ) দিনমান; গ) তফাৎ;
ঘ) থই থই ঙ) শৈশব।

৭. নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।

ক) অহনা দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে বাংলাদেশের কী তফাৎ দেখতে পেল?
উত্তর : অহনা দেখতে পেল যে দক্ষিণ কোরিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে ঋতুবৈচিত্র্যে তফাৎ আছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় বছরে চারটি ঋতু হলেও বাংলাদেশে ছয়টি ঋতু। বাংলাদেশে গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত Ñএই ছয়টি ঋতু আসে-যায়। অন্য ঋতুগুলো দক্ষিণ কোরিয়াতে থাকলেও বর্ষা ও শরৎ Ñএ দুটি ঋতুর দেখা সেখানে মেলে না।

খ) বর্ষাকালে বাংলাদেশের প্রকৃতি কেমন হয়?
উত্তর : বর্ষাকালে বাংলাদেশে সারাদিন রিমঝিম শব্দে বৃষ্টি পড়ে। মাঠ-ঘাট, নদী-নালা সবকিছু পানিতে থই থই করে। নানা রকম ফুলের সৌন্দর্যে ও সৌরভে চারপাশ ভরে ওঠে। এককথায় এ দেশের বর্ষাকালের প্রাকৃতিক. সৌন্দর্য সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।

গ) ষড়ঋতুই বাংলাদেশের প্রকৃতিকে এতটা সুন্দর করে তুলেছে- কথাটি বুঝিয়ে লেখ।
উত্তর : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক. সৌন্দর্যে ষড়ঋতুর অবদানের বিষয়টি বোঝাতে কথাটি বলা হয়েছে।
এদেশে প্রতি দুই মাসে একটি করে ঋতুর পালাবদল ঘটে। একেক. ঋতুতে প্রকৃতিতে দেখা যায় একেক. রকমের সাজসজ্জা। এদেশের মতো ঋতুবৈচিত্র্য আর কোথাও দেখা যায় না। বাংলাদেশের মনভোলানো প্রাকৃতিক. সৌন্দর্যের মূলে রয়েছে এ দেশের ছয়টি ঋতু।

৮. নিচের যুক্তবর্ণগুলো কোন কোন বর্ণ দিয়ে তৈরি ভেঙে দেখাও এবং প্রতিটি যুক্তবর্ণ দিয়ে একটি শব্দ গঠন করে বাক্যে প্রয়োগ. দেখাও।

ত্ত, ষ্ট, ন্ত, ন্দ, ন্ন।

উত্তর :

ত্ত = ত+ত – উত্তর – আমার প্রশ্নের উত্তর দাও।
ষ্ট = ষ+ট – মিষ্টি – আমার মিষ্টি খেতে ভালো লাগে।
ন্ত = ন+ত – শান্ত – রফিক. খুব শান্ত ছেলে।
ন্দ = ন+দ – ছন্দ – ছন্দের তালে তালে গান গাও।
ন্ন = ন+ন – কান্না – লোকটির কান্না দেখে আমার মায়া হলো।

৯. সঠিক. স্থানে বিরামচিহ্ন বসিয়ে অনুচ্ছেদটি পুনরায় লেখ।

প্রথমে গ্রীষ্মের কথাই ধরা যাক. গ্রীষ্মে কী প্রচণ্ড গরম রৌদ্রের অসহ্য তাপ দুপুরে যদি পথে বের হতেই হয় তখন মাথার ওপরে ছাতা ধরে লোকে হাঁটে

উত্তর : প্রথমে গ্রীষ্মের কথাই ধরা যাক। গ্রীষ্মে কী প্রচণ্ড গরম! রৌদ্রের অসহ্য তাপ। দুপুরে যদি পথে বের হতেই হয়, তখন মাথার ওপরে ছাতা ধরে লোকে হাঁটে।

১০. নিচের ক্রিয়াপদগুলোর চলিত রূপ লেখ।

ঢালিতেছে, ঘুমাইতে, কাঁপিবে, আসিয়াছে, ধরিয়া।

উত্তর : ক্রিয়াপদ চলিত রূপ
ঢালিতেছে—–ঢালছে
ঘুমাইতে—–ঘুমোতে
কাঁপিবে—–কাঁপবে
আসিয়াছে—–এসেছে
ধরিয়া—–ধরে

১১. নিচের শব্দগুলোর সমার্থক. শব্দ লেখ।

সূর্য, পৃথিবী, বৃষ্টি, আকাশ, হাওয়া।

উত্তর : মূল শব্দ সমার্থক. শব্দ
সূর্য—–দিবাকর, দিনমনি।
পৃথিবী—–বসুন্ধরা, ভুবন।
বৃষ্টি—–বাদল, বারিধারা।
আকাশ—–গগন, আসমান।
হাওয়া—–বাতাস, অনিল।

১২. নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
(গদ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)

 

PDF Download

 

উক্ত বিষয় সম্পর্কে কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
আমাদের সাথে ইউটিউব চ্যানেলে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে ফেইজবুক পেইজে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন। গুরুত্বপূর্ণ আপডেট ও তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

এই বিভাগের আরো লেখা

চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | প্রবন্ধ রচনা ৬-১০ | PDF Download
চতুর্থ শ্রেণি বাংলা

চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | প্রবন্ধ রচনা ৬-১০ | PDF Download

চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | প্রবন্ধ রচনা ১১-১৪ | PDF Download
চতুর্থ শ্রেণি বাংলা

চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | প্রবন্ধ রচনা ১১-১৪ | PDF Download

চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | প্রবন্ধ রচনা ১-৫ | PDF Download
চতুর্থ শ্রেণি বাংলা

চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | প্রবন্ধ রচনা ১-৫ | PDF Download

চতুর্থ শ্রেণীর বাংলা ব্যাকারণ আবেদনপত্র লিখন PDF
চতুর্থ শ্রেণি বাংলা

চতুর্থ শ্রেণীর বাংলা ব্যাকারণ | আবেদনপত্র লিখন | PDF

চতুর্থ শ্রেণীর বাংলা ব্যাকারণ | চিঠি বা পত্র লিখন | PDF
চতুর্থ শ্রেণি বাংলা

চতুর্থ শ্রেণীর বাংলা ব্যাকারণ | চিঠি বা পত্র লিখন | PDF

চতুর্থ শ্রেণীর বাংলা ব্যাকারণ | এককথায় প্রকাশ ও বাগধারা | PDF
চতুর্থ শ্রেণি বাংলা

চতুর্থ শ্রেণীর বাংলা ব্যাকারণ | এককথায় প্রকাশ ও বাগধারা | PDF

Next Post
চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | আজকে আমার ছুটি চাই | অনুশীলনীর প্রশ্ন উত্তর

চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | আজকে আমার ছুটি চাই | অনুশীলনীর প্রশ্ন উত্তর

সড়ক ও রেলপথের ক্ষতিপূরণ থাকলেও পানিপথের জমির জন্য নেই কোন ব্যবস্থা

সড়ক ও রেলপথের ক্ষতিপূরণ থাকলেও পানিপথের জমির জন্য নেই কোন ব্যবস্থা

চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | বীরশ্রেষ্ঠর বীরগাথা | অনুশীলনীর প্রশ্ন উত্তর

চতুর্থ শ্রেণি | বাংলা | বীরশ্রেষ্ঠর বীরগাথা | অনুশীলনীর প্রশ্ন উত্তর

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয় লেখাগুলো

No Content Available

অন্যান্য বিভাগ থেকে

এইচএসসি গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র ১ম অধ্যায় MCQ

এইচএসসি গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র | ১ম অধ্যায় | MCQ

স্ত্রী সহবাসের দোয়া-Prayer for wife intercourse

স্বামী-স্ত্রী সহবাসের দোয়া-Prayer for wife intercourse

Class 4 English Letter and Application Writing PDF

Class 4 | English | Letter and Application Writing | PDF

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (১০-রচনামূলক)পর্বঃ৩

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (১০-রচনামূলক)পর্বঃ৩

  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয় নীতি
  • জাগোরিকে লিখুন
  • বিজ্ঞাপন
  • যোগাযোগ করুন
  • শর্তাবলী
Call us: +1 234 JEG THEME

© ২০২৪ জাগোরিক - সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

No Result
View All Result
  • একাডেমিক
    • সকল শ্রেণির বই
    • প্রথম শ্রেণী
    • দ্বিতীয় শ্রেনী
    • তৃতীয় শ্রেণী
    • চতুর্থ শ্রেণি
    • পঞ্চম শ্রেণি
    • ষষ্ঠ শ্রেণি
    • সপ্তম শ্রেণি
      • সপ্তম শ্রেণি: ইংরেজি
      • সপ্তম শ্রেণি: বাংলা ২য়
      • সপ্তম শ্রেণি: ডিজিটাল প্রযুক্তি
    • অষ্টম শ্রেণী
    • বিদেশে পড়াশোনা
      • স্কলারশিপ
      • আমেরিকা
      • ফিনল্যান্ড উচ্চ শিক্ষা
      • ভারত
      • ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং
    • বিসিএস পরীক্ষা
  • এসএসসি
  • এইচএসসি
  • অনার্স
  • মাস্টার্স
  • স্কিল
    • এসইও
    • ওয়েব ডিজাইন
    • কোডিং শিখুন
    • অনলাইনে ইনকাম
    • ফ্রিল্যান্সিং শিখুন
  • স্বাস্থ্যবার্তা
    • ঔষধের নাম
    • স্বাস্থ্য
    • ত্বকের যত্ন
    • নারী স্বাস্থ্য
    • বিউটি টিপস
    • মা ও শিশু
  • আইন
  • চাকরি
  • অন্যান্য
    • আবেদন পত্র
    • জাগোরিক স্পেশাল
    • উপবৃত্তি
    • ইতিহাস ও ঐতিহ্য
    • জানা-অজানা
    • সপ্তম শ্রেণি: ইংরেজি
    • তথ্য প্রযুক্তি
    • ইংরেজি শিখুন
    • লতা-পাতা
  • সাধারণ জ্ঞান
  • কুইজ
    • আমার প্রতিষ্ঠান
    • গেস্ট ব্লগিং
  • দোয়া
  • শিক্ষা সংবাদ

© ২০২৪ জাগোরিক - সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In