বৈষম্যমুক্ত হয়নি শিক্ষা ব্যবস্থায়: বঞ্চিত মাদ্রাসার ২০০-৩০০ জন অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক >> শিক্ষা সংবাদ>> চাকরি, ভর্তি সহ নানা অনিয়মে জর্জড়িত বাংলাদেশ। যা একধরনের রোগ হিসেবে চিহিৃত হয়ে পরে। শুরু হয় সারাদেশে একের পর এক আন্দোলন। দাবী ছিল একটাই বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ চাই। যে আন্দোলনের কারনে ১৬ বছরের ক্ষমতার দখলে থাকারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। জীবন দিয়েছে হাজারো শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ।
আসলেই কি দেশ বৈষম্যমুক্ত হয়েছে। গত ৭ ডিসেম্বর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা প্রকাশ পায়। জেনারেল এ পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের কোর্টায় কলেজের ৩৫০০ শিক্ষক এমপিও পেলেও, বঞ্চিত হয় মাদ্রাসার ২০০-৩০০ জন অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক। তাদের একটাই অপরাধ ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া।
যদিও সরকারের পক্ষ থেকে ২ জুলাইয়ের সিদ্ধান্ত ও অগ্রায়ন চিঠি থাকার পরও কেন থমকে মাদ্রাসা জনবল কাঠামো?
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের মাঝেও বেসরকারি মাদ্রাসায় অনার্স-মাস্টার্স পর্যায়ে কর্মরত দুই শতাধিক শিক্ষক চরম বৈষম্যের শিকার।
গত ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রকাশিত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫–এ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজের ৩৫০০ অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষকের এমপিওভুক্তির কাঠামো যুক্ত করা হলেও, মাদ্রাসার মাত্র ২০০-৩০০ কর্মরত শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করার বিষয়টি এখনো রহস্যজনকভাবে উপেক্ষিত।
এমনকি মাদ্রাসায় অনার্স স্তরকে ফাজিলের সাথে একীভূত করে প্রতি বিষয়ে মাত্র ১টি পদ রাখার নকশা করা হয়েছে—যা উপস্থিত শিক্ষক সমাজ ইচ্ছাকৃত অন্যায় হিসেবে দেখছেন।
খসড়ায় কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা অংশেও অনার্স-মাস্টার্স প্রভাষকের যোগ্যতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি—যা নীতিগতভাবে অগ্রহণযোগ্য।

কিন্তু লক্ষণীয় বিষয় হলো-
গত ০২ জুলাই ২০২৫ শিক্ষা উপদেষ্টা মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায়
কলেজের মতোই বেসরকারি মাদ্রাসায় অনার্স-মাস্টার্স কর্মরত শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অগ্রায়ন চিঠি-ও প্রদান করা হয়—০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ স্মারক নং: ৩৭.০০.০০০০.০০০.০৭৯.৯৯.০২০১.১৪.৬১ কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত খসড়া নীতিমালায় প্রতিফলিত হয়নি।
বিনা মূল্যে ৪৮ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, আবেদন এইচএসসিতে
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহে অনার্সে ৫ জন এবং মাস্টার্সে ২ জন শিক্ষক কাঠামো না রাখলে
ইসলামী উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ বিপর্যস্ত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষক সমাজ।
শিক্ষকরা বলছেন—
“একই দেশের দুই শিক্ষাব্যবস্থায় এ কেমন বৈষম্য? আমাদের এমপিও অধিকার সরকারই স্বীকৃতি দিয়েছে—এখন পিছিয়ে দেওয়া মানে আল্লাহর দ্বীনি শিক্ষাকে উপেক্ষা করা।” তারা দ্রুত সংশোধন করে সমমান কাঠামো ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন।
উক্ত বিষয় সম্পর্কে কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
আমাদের সাথে ইউটিউব চ্যানেলে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে ফেইজবুক পেইজে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন। গুরুত্বপূর্ণ আপডেট ও তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।












