স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (৯ম-অতিসংক্ষিপ্ত)

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (৯ম-অতিসংক্ষিপ্ত) প্রশ্নোত্তর ও সাজেশন সম্পর্কে আজকে বিস্তারিত সকল কিছু জানতে পারবেন। সুতরাং সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। অনার্স ১ম বর্ষের যেকোন বিভাগের সাজেশন পেতে জাগোরিকের সাথে থাকুন।

অনার্স প্রথম পর্ব
বিভাগ: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস
বিষয় : মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১
বিষয় কোড: ২১১৫০১

ক-বিভাগঃ অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর

১. মুক্তিযুদ্ধ কী?
উত্তর : অত্যাচারী শাসকের শোষণ ও পরাধীনতা থেকে মুক্তির জন্য যে মরণপণ যুদ্ধ সংঘটিত হয় তাকে মুক্তিযুদ্ধ বলে ।

২. বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় কখন ?
উত্তর : বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে।

৩. গণহত্যা কী?
উত্তর : কোনো জাতি, গোষ্ঠী কিংবা সম্প্রদায়কে সমূলে নিশ্চিহ্ন করার উদ্দেশ্যে তাদের ওপর পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড পরিচালনাকে গণহত্যা বলে ।

৪. গণহত্যার ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?
উত্তর : গণহত্যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Genocide.

৫. বাঙালিদের হত্যার নীল নকশা কে, কখন তৈরি করেন?
উত্তর : বাঙালিদের হত্যার নীল নকশা পাকিস্তানের সামরিক শাসক টিক্কা খান ১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ তৈরি করেন ।

৬. পাকিস্তানি সৈন্যরা কখন বঙ্গবন্ধুর ধানমণ্ডির বাড়ি আক্রমণ করে?
উত্তর : ২৫ মার্চ ১৯৭১ সালে রাত ১.৩০ মিনিটের সময় পাকিস্তানি সৈন্যরা বঙ্গবন্ধুর ধানমণ্ডির বাড়ি আক্রমণ করে ।

৭. মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গণহত্যা সংঘটিত হয় কোথায়?
উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গণহত্যা সংঘটিত হয় খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানাধীন চুকনগর গ্রামে ।

৮. বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদের সংখ্যা কত?
উত্তর : বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদের সংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ ।

৯.’আমি বীরাঙ্গনা বলছি’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর : ‘আমি বীরাঙ্গনা বলছি’ গ্রন্থটির রচয়িতা অধ্যাপক নীলিমা ইব্রাহিম।

১০. ‘বীরাঙ্গনা ১৯৭১’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তরঃ ‘বীরাঙ্গনা ১৯৭১’ গ্রন্থটির রচয়িতা ড. মুনতাসীর মামুন।

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (৯ম-অতিসংক্ষিপ্ত) *

১১. ‘যুদ্ধ ও নারী’ গ্রন্থটি কে রচনা করেন?
উত্তর : ‘যুদ্ধ ও নারী’ গ্রন্থটি ডা. এম. এ. হাসান রচনা করেন।

১২. ‘নরহত্যা ও নারীনির্যাতনের কড়চা ১৯৭১’ গ্রন্থটি কে রচনা করেন?
উত্তরঃ ‘নরহত্যা ও নারীনির্যাতনের কড়চা ১৯৭১’ গ্রন্থটি রফিকুল ইসলাম রচনা করেন।

১৩. যুদ্ধশিশু কারা?
উত্তরঃ মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকবাহিনী কর্তৃক পাশবিক নির্যাতনে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে বাঙালি নারীদের জন্ম দেওয়া শিশুরাই যুদ্ধশিশু ।

১৪. কমফোর্ট গার্ল কী?
উত্তর : যুদ্ধের সময় সেনাবাহিনী কর্তৃক বলপূর্বক যৌন দাসী হিসেবে ব্যবহৃত নারীই কমফোর্ট গার্ল।

১৫. ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা কত ছিল?
উত্তর : ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭ কোটি ।

১৬. শরণার্থী কারা?
উত্তর : বিপজ্জনক রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা সামরিক সংঘাতজনিত পরিস্থিতিতে ভীত হয়ে স্বীয় ভূমি ত্যাগ করে অন্য দেশে নিরাপত্তার জন্য আশ্রয়প্রার্থী মানুষই শরণার্থী।

১৭. কতজন বাঙালি শরণার্থী মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেয়?
উত্তরঃ প্রায় ১ কোটি বাঙালি শরণার্থী মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেয়।

১৮. কখন প্রবাসী সরকার গঠন করা হয়?
উত্তর : ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল প্রবাসী সরকার গঠন করা হয়।

১৯. প্রবাসী সরকার কাকে বলে?
উত্তরঃ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় গঠিত বাংলাদেশ সরকারকে প্রবাসী সরকার বলে।

২০. সর্বপ্রথম কোথায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়?
উত্তরঃ সর্বপ্রথম ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়।

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (৯ম-অতিসংক্ষিপ্ত) *

২১. মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কোথায়?
উত্তর : মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় মেহেরপুরের ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে ।

২২. মুজিবনগর কোথায় অবস্থিত?
উত্তর : মুজিবনগর মেহেরপুরে অবস্থিত।

২৩. মুজিবনগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠিত হয় কোথায় ?
উত্তর : মুজিবনগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠিত হয় মেহেরপুরের ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে ।

২৪. বৈদ্যনাথতলার নতুন নামকরণ কী করা হয়?
উত্তর : বৈদ্যনাথতলার নতুন নামকরণ করা হয় মুজিবনগর ।

২৫. বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানীর নাম কী?
উত্তর : বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানীর নাম মুজিবনগর ।



২৬. বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছিল কোথায়?
উত্তর : বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছিল মেহেরপুরে।

২৭. মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
উত্তর : মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী ।

২৮. ১৯৭১ সালের অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
উত্তর : ১৯৭১ সালের অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ।

২৯. মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের কত তারিখে?
উত্তরঃ মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল।

৩০. কে মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি/অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন?
উত্তর : সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি/অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (৯ম-অতিসংক্ষিপ্ত) *

৩১. মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
উত্তর : মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ ।

৩২. কে মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন?
উত্তর : ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন।

৩৩. কে মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী ছিলেন?
উত্তর : খন্দকার মোশতাক আহমদ মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী ছিলেন।

৩৪. কে মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন?
উত্তর : এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন।

৩৫. মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান কে ছিলেন?
উত্তর : মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান ছিলেন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।

৩৬. কে মুজিবনগর সরকারের কেবিনেট সচিব ছিলেন?
উত্তর : হাসান তওফিক ইমাম মুজিবনগর সরকারের কেবিনেট সচিব ছিলেন।

৩৭. মুজিবনগর সরকারের বহির্বিশ্বের বিশেষ দূত কে ছিলেন?
উত্তর : মুজিবনগর সরকারের বহির্বিশ্বের বিশেষ দূত ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।

৩৮. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয় কবে?
উত্তর : ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয় ।

৩৯. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয় কোথায়?
উত্তর : বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয় মুজিবনগরে।

৪০. মুজিবনগর সরকারের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর : মুজিবনগর সরকারের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাকে বাস্তবায়ন করা।

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (৯ম-অতিসংক্ষিপ্ত) *

৪১. কখন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (ইশতাহার) জারি করা হয়?
উত্তর : ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (ইশতাহার) জারি করা হয়।

৪২. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রচনা করেন কে?
উত্তরঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রচনা করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।

৪৩. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন কে?
উত্তর : বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী ।

৪৪. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে মোট কতটি অনুচ্ছেদ ছিল?
উত্তর : বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে মোট ১৪টি অনুচ্ছেদ ছিল।

৪৫. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কে ভারতের সেনাপ্রধান ছিলেন?
উত্তর : বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জেনারেল মানেকশ ভারতের সেনাপ্রধান ছিলেন ।

৪৬. মুজিবনগর সরকারের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
উত্তর : মুজিবনগর সরকারের প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম. এ. জি. ওসমানী।

৪৭. মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন?
উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

৪৮. মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ কে ছিলেন?
উত্তর : মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ/উপ- সেনাপ্রধান ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।

৪৯. ‘EPR’ এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর : ‘EPR’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘East Pakistan Rifles’.’

৫০. মুক্তিযুদ্ধের সময় ইপিআর এর হেডকোয়ার্টার্স কোথায় ছিল?
উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের সময় ইপিআর এর হেডকোয়ার্টার্স ছিল ঢাকার পিলখানায়।

উক্ত বিষয় সম্পর্কে কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
আমাদের সাথে ইউটিউব চ্যানেলে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে ফেইজবুক পেইজে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন
গুরুত্বপূর্ণ আপডেট ও তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

Check Also

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (১০ম-সংক্ষিপ্ত)

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (১০ম-সংক্ষিপ্ত)

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (১০ম-সংক্ষিপ্ত) প্রশ্নোত্তর ও সাজেশন সম্পর্কে আজকে বিস্তারিত সকল কিছু জানতে পারবেন। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *