রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিচিতি ১ম অধ্যায় অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিচিতি ১ম অধ্যায় অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর সম্পর্কে আজকে বিস্তারিত সকল কিছু জানতে পারবেন। সুতরাং সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। অনার্স ১ম বর্ষের যেকোন বিভাগের সাজেশন পেতে জাগোরিকের সাথে থাকুন।

অনার্স প্রথম বর্ষ
বিভাগঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান
বিষয়ঃ রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিচিতি
অধ্যায় ১ – রাষ্ট্রবিজ্ঞান(Political Science)
বিষয় কোডঃ ২১১৯০৯

রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিচিতি ১ম অধ্যায় অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর সাজেশনঃ

ক-বিভাগঃ অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

১) এরিস্টটল রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে কী বলে আখ্যা দিয়েছেন?
উত্তরঃ এরিস্টটল রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে “সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান(Master of Science)” বলে আখ্যা দিয়েছেন।

২) এরিস্টটল কত বছর পূর্বে রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে (Master of Science) আখ্যা দিয়েছেন?
উত্তরঃ এরিস্টটল আড়াই হাজার বছর পূর্বে রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে (Master of Science) আখ্যা দিয়েছেন।

৩) এরিস্টটল রাষ্ট্রবিজ্ঞান বুঝাতে কোন শব্দটি ব্যবহার করেছেন?
উত্তরঃ এরিস্টটল রাষ্ট্রবিজ্ঞান বুঝাতে (Politics) শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

৪) কোন শব্দ থেকে ‘Politics’ শব্দের উৎপত্তি?
উত্তরঃ গ্রিক শব্দ ‘Polis’ থেকে Politics শব্দের উৎপত্তি।

৫) Polis শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
উত্তরঃ Polis শব্দটি গ্রিক ভাষা থেকে এসেছে।

৬) Polis শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ Polis শব্দের অর্থ নগর বা নগররাষ্ট্র।

৭) রাষ্ট্রবিজ্ঞান ‘বিজ্ঞান’ না ‘কলা’?
উত্তরঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিজ্ঞান ও কলা উভয়ই।

৮) রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে কোন ধরনের বিজ্ঞান বলা হয়?
উত্তরঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে একটি গতিশীল সামাজিক বিজ্ঞান বলা হয়।

৯) ‘রাষ্ট্রবিজ্ঞান হলো সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান’ – উক্তিটি কার?
উত্তরঃ ‘রাষ্ট্রবিজ্ঞান হলো সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান’ – উক্তিটি এরিস্টটলের।

১০) ‘Politics is the relationship among the classes.’ –উক্তিটি কার?
উত্তরঃ ‘Politics is the relationship among the classes.’ –উক্তিটি ভি. আই. লেনিনের।

১১) রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে কি কারনে গতিশিল বিজ্ঞান বলা হয়?
উত্তরঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে গতিশিল বিজ্ঞান বলা হয় কারণ এর বিষয়বস্তু প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে।

১২) রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রধান বিষয়বস্তু কী?
উত্তরঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রধান বিষয়বস্তু রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের কার্যাবলি।

১৩) ‘Political science begins and ends with the state.’ – কে বলেছেন?
উত্তরঃ ‘Political science begins and ends with the state.’ – রাষ্ট্রবিজ্ঞানী গার্নার বলেছেন।

১৪) ১৯৪৮ সালে UNESCO রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কয়টি আলোচ্য বিষয়ের কথা বলেছে?
উত্তরঃ ১৯৪৮ সালে UNESCO রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ৪টি আলোচ্য বিষয়ের কথা বলেছে।

১৫) ‘মানুষের প্রয়োজন মেটানোর জন্যই রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে’ – বক্তব্যটি কার?
উত্তরঃ ‘মানুষের প্রয়োজন মেটানোর জন্যই রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে’ – বক্তব্যটি এরিস্টটলের।

রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিচিতি ১ম অধ্যায় অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর সাজেশনঃ

১৬) রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয় কাকে?
উত্তরঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয় এরিস্টটলকে।

১৭) রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন কে?
উত্তরঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন এরিস্টটল।

১৮) ‘ইতিহাস রাষ্ট্রবিজ্ঞানের গভীরতা দান করেছে’ – উক্তিটি কে করেছেন?
উত্তরঃ ‘ইতিহাস রাষ্ট্রবিজ্ঞানের গভীরতা দান করেছে উক্তিটি করেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী উইলোবি।

১৯) ‘History provides the third demension of political science.’ – উক্তিটি কার?
উত্তরঃ ‘History provides the third demension of political science.’ – উক্তিটি উইলোবির।

২০) ‘Modern Democracies’ গ্রন্থটি কার লেখা?
উত্তরঃ ‘Modern Democracies’ গ্রন্থটি লর্ড ব্রাইসের লেখা।

২১) বিজ্ঞান কী?
উত্তরঃ বিজ্ঞান বলতে কোন বিষয় সম্পর্কে সুসংবদ্ধ জ্ঞান অর্জন করাকে বুঝায়।

২২) পদ্ধতিগত দিক দিয়ে বিজ্ঞান কত প্রকার ও কী কী?
উত্তরঃ পদ্ধতিগত দিক দিয়ে বিজ্ঞান ২ প্রকার। যথাঃ ১. প্রাকৃতিক বিজ্ঞান ২.সামাজিক বিজ্ঞান।

২৩) ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির অনুসরণই হলো বিজ্ঞানের প্রধান মানদন্ড’ – উক্তিটি কার?
উত্তরঃ ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির অনুসরণই হলো বিজ্ঞানের প্রধান মানদন্ড’ – উক্তিটি পোলানস্কির।

২৪) কলা কী?
উত্তরঃ কোন বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য যে বিদ্যা বাস্তবক্ষেত্রে সুষ্ঠভাবে প্রয়োগ করার নিয়মকানুন শেখায় তাকে কলা বলে।

২৫) ‘Ancient Laws’ গ্রন্থটির রচিয়তা কে?
উত্তরঃ ‘Ancient Laws’ গ্রন্থটির রচিয়তা হেনরি মেইন।



২৬) কে. সি হুইয়রের বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম কী?
উত্তরঃ কে. সি হুইয়রের বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম ‘A Grammar of politics’

২৭) ‘The Process of Government’ গ্রন্থটির রচিয়তা কে?
উত্তরঃ ‘The Process of Government’ গ্রন্থটির রচিয়তা এফ. বেন্টলির।

২৮) পদ্ধতি কী?
উত্তরঃ পদ্ধতি হলো রাজনীতি অধ্যয়নের এমন একটি পন্থা যার দ্বারা অধ্যয়নের বিষয়বস্তু ও বিশ্লেষণ করা হয়।

২৯) রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যায়নের ক্ষেত্রে সংঘতত্তের প্রবক্তা কে?
উত্তরঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নের ক্ষেত্রে সংঘতত্তের প্রবক্তা আর্থার এফ. বেন্টলি।

৩০) রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নের তিনটি পদ্ধতির নাম লেখ।
উত্তরঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যয়নের তিনটি পদ্ধতি হলো- ১. পর্যবেক্ষনমূলক পদ্ধতি, ২. পরীক্ষণমূলক পদ্ধতি এবং ৩. দার্শনিক পদ্ধতি।

রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিচিতি ১ম অধ্যায় অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর সাজেশনঃ

৩১) কোন পদ্ধতি পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির পরিপূরক?
উত্তরঃ ঐতিহাসিক পদ্ধতি পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির পরিপূরক।

৩২) রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন পদ্ধতি কোনটি?
উত্তরঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন পদ্ধতি দার্শনিক পদ্ধতি।

৩৩) রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নে দার্শনিক পদ্ধতির প্রবক্তা কারা?
উত্তরঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নে দার্শনিক পদ্ধতির প্রবক্তা হলেন প্লেটো, হবস, রুশো, টমাস ম্যূর, হেগেল প্রমুখ।

৩৪) দার্শনিক পদ্ধতির বিপরীত পদ্ধতি কোনটি?
উত্তরঃ দার্শনিক পদ্ধতির বিপরীত পদ্ধতি ঐতিহাসিক পদ্ধতি।

৩৫) ঐতিহাসিক পদ্ধতির প্রবর্তক কারা?
উত্তরঃ ঐতিহাসিক পদ্ধতির প্রবর্তক জে. এস. মিল, কার্ল মার্কস, ফ্রিম্যান, সিলি প্রমুখ।

৩৬) রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নে পর্যবেক্ষণমূলক পদ্ধতিকে শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি বলে মনে করেন কারা?
উত্তরঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নে পর্যবেক্ষণমূলক পদ্ধতিকে শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি বলে মনে করেন লর্ড ব্রাইস, লাসওয়েল প্রমুখ।

৩৭) রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নে আধুনিক পদ্ধতিগুলোর মধ্যে কোন পদ্ধতি অন্যতম?
উত্তরঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নে আধুনিক পদ্ধতিগুলোর মধ্যে আচরণবাদী পদ্ধতি অন্যতম।

৩৮) আচরণবাদী আলোচনার সূত্রপাত ঘটে কাদের মাধ্যমে?
উত্তরঃ আচরণবাদী আলোচনার সূত্রপাত ঘটে গ্রাহাম ওয়ালেস ও আর্থার বেন্টলির মাধ্যমে।

৩৯) ‘The Political System’ গ্রন্থটি রচনা করেছেন কে?
উত্তরঃ ‘The Political System’ গ্রন্থটি রচনা করেছেন ডেভিড ইস্টন।

৪০) ‘A Framework for Political Analysis’ গ্রন্থটি রচনা করেছেন কে?
উত্তরঃ ‘A Framework for Political Analysis’ গ্রন্থটি রচনা করেছেন ডেভিড ইস্টন।

৪১) ডেভিড ইস্টনের মতে, আচরণবাদের কয়টি বৈশিষ্ট্য রয়েছে?
উত্তরঃ ডেভিড ইস্টনের মতে, আচরণবাদের আটটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

৪২) ইনপুট কী?
উত্তরঃ রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ‘দাবি ও সমর্থনকে নিয়ে যে কাঠামো গড়ে ওঠে তাকে ইনপুট বলে।

৪৩) আউটপুট কী?
উত্তরঃ দাবি এবং সমর্থনের ওপর ভিত্তি করে কর্তিপক্ষ যে সিদ্ধান্ত বা নিতিসমূহ গ্রহণ করে তাকে আউটপুট বলে।

৪৪) ফিডব্যাক কাকে বলে?
উত্তরঃ রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপর দাবির চাপ বেশি হলে পুনরাবর্তন প্রক্রিয়াকে ফিডব্যাক বলে।

৪৫) যোগাযোগ তত্ত্বের মূল প্রবক্তা কে?
উত্তরঃ যোগাযোগ তত্ত্বের মূল প্রবক্তা জার্মান দার্শনিক কার্ল ডুয়েন্ট।

অনার্স ১ম বর্ষ – রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিচিতি ১ম অধ্যায় অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ

৪৬) ‘The Nerves of Government’ গ্রন্থটি কার?
উত্তরঃ ‘The Nerves of Government’ গ্রন্থটি কার্ল ডুয়েঞ্চ-এর।

৪৭) আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?
উত্তরঃ আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক হলেন নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি।

৪৮) ‘History is past politics, politics is present history.’ – উক্তিটি কার?
উত্তরঃ ‘History is past politics, politics is present history.’ – উক্তিটি করেছেন ফ্রিম্যানের।

৪৯) ‘ইতিহাস হলো অভিজাততন্ত্রের সমাধিক্ষেত্রে’ – উক্তিটি কে করেছেন?
উত্তরঃ ‘ইতিহাস হলো অভিজাততন্ত্রের সমাধিক্ষেত্রে’ – উক্তিটি করেছেন ভিলফ্রেডো প্যারেটোর।

৫০) ‘Political science has its roots in psychology.’ – উক্তিটি কার?
উত্তরঃ ‘Political science has its roots in psychology.’ – উক্তিটি লর্ড ব্রাইসের।

 

উক্ত বিষয় সম্পর্কে কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
আমাদের সাথে ইউটিউব চ্যানেলে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে ফেইজবুক পেইজে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন
গুরুত্বপূর্ণ আপডেট ও তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

Check Also

PDF অনার্স প্লেটোপাশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

PDF অনার্স প্লেটো:পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

PDF অনার্স প্লেটো:পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ও অনার্স প্লেটো:পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা, পর্ব – ১ ( প্রাচীন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *