প্রশাসন ও সংগঠনের নীতিমালা,অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর(PDF)

প্রশাসন ও সংগঠনের নীতিমালা অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর(PDF) অধ্যায়:২ প্রশ্নোত্তর ও সাজেশন সম্পর্কে আজকে বিস্তারিত সকল কিছু জানতে পারবেন। সুতরাং সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। অনার্স ১ম বর্ষের যেকোন বিভাগের সাজেশন পেতে জাগোরিকের সাথে থাকুন।

প্রশাসন ও সংগঠনের নীতিমালা অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর(PDF)

  • অনার্স প্রথম বর্ষ
  • বিষয়ঃ লোকপ্রশাসন পরিচিতি
  • অধ্যায় ২ : প্রশাসন ও সংগঠনের নীতিমালা
  • বিষয় কোডঃ ২১১৯০৭
  • ক-বিভাগঃ অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

১. সংগঠন কাকে বলে?

উত্তর : যে ব্যবস্থায় কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য সমষ্টিগত এবং সহযোগিতাপূর্ণ কর্মপ্রচেষ্টার মাধ্যমে অধিকসংখ্যক লোক বিভিন্ন কর্ম সম্পাদনে নিয়োজিত থাকে তাকে সংগঠন বলে ।

২. সংগঠনের ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?

উত্তর : সংগঠনের ইংরেজি প্রতিশব্দ Organization.

৩. একটি যুক্তিসংগত, সুপরিকল্পিত কর্তৃত্ব কাঠামোকে কী বলা হয়?

উত্তর : একটি যুক্তিসংগত, সুপরিকল্পিত কর্তৃত্ব কাঠামোকে সংগঠন বলা হয় ।

 

৪. সংগঠন সম্পর্কিত মতবাদ কয়টি ও কী কী?

অথবা, সংগঠনের তত্ত্ব কয়টি?

উত্তর : সংগঠন সম্পর্কিত মতবাদ তিনটি। যথা : ১. সনাতন বা আনুষ্ঠানিক মতবাদ, ২. নব্য সনাতন বা অনানুষ্ঠানিক মতবাদ ও ৩. আধুনিক মতবাদ।

৫. সংগঠন কত প্রকার ও কী কী?

উত্তর : সংগঠন দুই প্রকার। যথা : ১. আনুষ্ঠানিক সংগঠন ও ২. অনানুষ্ঠানিক সংগঠন ।

৬. আনুষ্ঠানিক সংগঠন কী?

উত্তর : আনুষ্ঠানিক সংগঠন বলতে এমন কতকগুলো ব্যক্তিবর্গের সমষ্টিকে বুঝায় যারা সুসংগঠিতভাবে এবং সচেতনভাবে নিজেদের ব্যক্তিগত কর্মপ্রচেষ্টাকে একটি সাধারণ কর্ম সম্পাদনের মাধ্যমে একত্রিত করে।

৭. আনুষ্ঠানিক সংগঠনের তিনটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।

উত্তর : আনুষ্ঠানিক সংগঠনের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো— ১. সহজবোধ্যতা, ২. নমনীয়তা ও ৩. সঠিক কার্যবিভাজন ।

৮. “সংগঠন হলো কর্তৃত্বের আনুষ্ঠানিক কাঠামো।”—কার উক্তি?

উত্তর : “সংগঠন হলো কর্তৃত্বের আনুষ্ঠানিক কাঠামো।”— উক্তিটি লুথার গুলিকের।

 

৯. কোন সংগঠনকে কাঠামোভিত্তিক সংগঠন বলা হয়?

উত্তর : সনাতন বা আনুষ্ঠানিক সংগঠনকে কাঠামোভিত্তিক সংগঠন বলা হয় ।

 

১০. কোন সংগঠনকে ছায়া সংগঠন বলা হয়?

উত্তর : নব্য সনাতন বা আনুষ্ঠানিক সংগঠনকে ছায়া সংগঠন বলা হয় ।

 

১১. সনাতন সংগঠনের প্রধান স্তম্ভ কয়টি?

উত্তর : সনাতন সংগঠনের প্রধান স্তম্ভ ৪টি। যথা : ১. শ্রমবিভাগ, ২. কাঠামো ও কার্যগত প্রক্রিয়া, ৩. পদসোপান এবং ৪. নিয়ন্ত্রিত সীমা।

১২. কোন মতবাদকে সংগঠনের মানবিক মতবাদ বলা হয়?

উত্তর : নব্য সনাতন মতবাদকে সংগঠনের মানবিক মতবাদ বলা হয়।

১৩. সংগঠনের উদ্দেশ্য কী?

উত্তর : সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনই হলো সংগঠনের উদ্দেশ্য ।

 

১৪. কে ক্লাসিক্যাল মতবাদের প্রবর্তন করেন?

উত্তর : লুথার গুলিক ক্লাসিক্যাল মতবাদের প্রবর্তন করেন ।

 

১৫. “আনুষ্ঠানিক সংগঠন ব্যক্তিক ও আবেগপ্রবণ।”- উক্তিটি কে করেছেন?

উত্তর : “আনুষ্ঠানিক সংগঠন ব্যক্তিক ও আবেগপ্রবণ।”—উক্তিটি করেছেন এল. ডি. হোয়াইট (L. D. White)।

 

১৬. “সংগঠন হলো প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে কার্যরত রাখার হাতিয়ার।”— উক্তিটি কার?

উত্তর : “সংগঠন হলো প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে কার্যরত রাখার হাতিয়ার।”— উক্তিটি ডিমোক (Demok)-এর।

 

১৭. কর্ম বিভাজন কী?

উত্তর : বৃহৎ সংগঠনে নানাবিধ কর্মক্ষেত্রে কর্মীর দক্ষতা, যোগ্যতা, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও স্বাভাবিক প্রবণতার অনুকূলে প্রকৃতি অনুযায়ী কর্মকে বিভক্তিকরণকেই কর্ম বিভাজন বলে ।

 

১৮. কাদেরকে সংগঠনের প্রাণ বলা হয়?

উত্তর : সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে সংগঠনের প্রাণ বলা হয়।

 

১৯. সনাতন সংগঠনের তিনটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।

উত্তর : সনাতন সংগঠনের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো— ১. সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য, ২. স্থায়িত্ব ও ৩. বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা ।

২০. সংগঠনের কোন মতবাদকে ‘ব্যবস্থা মতবাদ’ বলা হয়?

উত্তর : সংগঠনের আধুনিক মতবাদকে ‘ব্যবস্থা মতবাদ’ বলা হয়।

 

২১. “সংগঠন হচ্ছে কর্তৃত্বের আইনগত কাঠামো।”– উক্তিটি কার?

উত্তর : “সংগঠন হচ্ছে কর্তৃত্বের আইনগত কাঠামো।” উক্তিটি লুথার গুলিক (Luther Gullick)-এর।

 

২২. সংগঠনের উপাদানগুলো কী কী?

উত্তর : সংগঠনের উপাদানগুলো হলো— ১. পরিবেশগত উপাদান, ২. প্রায়োগিক উপাদান, ৩. ব্যক্তিগত উপাদান ও ৪. রাজনৈতিক উপাদান।

 

২৩. “সংগঠন হলো বিভিন্ন পদ ও পদসমূহে আসীন ব্যক্তিদের সমাহার।” – উক্তিটি কে করেছেন?

উত্তর : “সংগঠন হলো বিভিন্ন পদ ও পদসমূহে আসীন ব্যক্তিদের সমাহার।”— উক্তিটি এল. ডি. হোয়াইট (L. D. White)-এর।

 

২৪. সংগঠনের নয়া সনাতন মতবাদকে কী নামে অভিহিত করা হয়?

উত্তর : সংগঠনের নয়া সনাতন মতবাদকে ‘মধ্যপন্থি মতবাদ’ নামে অভিহিত করা হয়।

 

২৫. সংগঠনের নীতি কয়টি?

উত্তর : সংগঠনের নীতি ৮টি।

 

২৬. সংগঠনের যেকোনো দুটি মূলনীতি উল্লেখ কর।

উত্তর : সংগঠনের ৪টি মূলনীতি হলো— ১. পদসোপান নীতি, ২. নিয়ন্ত্রণ পরিধি, ৩. লাইন ও স্টাফনীতি এবং ৪. সমন্বয়সাধন নীতি ।

 

২৭. আদশেগত ঐক্য কী?

উত্তর : কোনো অধস্তন কর্মকর্তা তার নিকটস্থ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্তৃক প্রশাসনিক আদেশ বা নির্দেশ লাভ এবং তা পালন করাই আদেশগত ঐক্য ।

 

২৮. স্কেলার নীতিকে চিরন্তন নীতি হিসেবে অভিহিত করেছেন কে?

উত্তর : স্কেলার নীতিকে চিরন্তন নীতি হিসেবে অভিহিত করেছেন জে. ডি. মুনি ( J. D. Mooney)।

 

২৯. সংগঠনের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা তত্ত্ব কে প্রবর্তন করেছেন?

উত্তর : সংগঠনের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা তত্ত্বের প্রবর্তন করেছেন হেনরি ফেয়ল ।

 

৩০. ‘General and Industrial Management’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর : ‘General and Industrial Management’ গ্রন্থটির রচয়িতা হেনরি ফেয়ল ।

 

৩১. কোনটি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে?

উত্তর : প্রেষণা (Motivation) ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে ।

 

৩২. পদসোপান কী?

উত্তর : পদসোপান হলো কতকগুলো পর্যায়ক্রমিক স্তরবিশিষ্ট কোনো সংগঠন ।

৩৩. কোথায় পদসোপান নীতি অনুসরণ করা হয়? উত্তর : পদসোপান নীতি অনুসরণ করা হয় আমলাতান্ত্রিক প্রশাসনে ।

৩৪. প্রশাসনের প্রধান পদসোপান কে?

উত্তর : প্রশাসনের প্রধান পদসোপান হলেন সচিব।

 

৩৫. পিরামিডের সাথে কীসের সাদৃশ্য আছে?

উত্তর পিরামিডের সাথে পদসোপান নীতির সাদৃশ্য আছে।

 

৩৬. পদসোপানের ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?

উত্তর : পদসোপানের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো ‘Hierarchy’।

৩৭. আক্ষরিক অর্থে পদসোপান কী?

উত্তর : আক্ষরিক অর্থে পদসোপান হলো সংগঠনের উচ্চস্তর কর্তৃক নিম্নস্তরকে নিয়ন্ত্রণ করা।

 

৩৮. পদসোপান নীতি কী?

উত্তর : যেকোনো সংগঠনের সর্বোচ্চ পর্যায় হতে সব কর্তত্ব, আদেশ ও নিয়ন্ত্রণ স্তরে স্তরে একেবারে নিম্নস্তরে নিঃসৃত হয়ে আসার নীতিকে পদসোপান নীতি বলে ।

৩৯. পদসোপান নীতির দুইটি সুবিধা লেখ।

উত্তর : পদসোপান নীতির দুইটি সুবিধা হলো— ১. সংগঠনের সুসমন্বয় সাধন ও ২. প্ৰশাসনিক দায়িত্বশীলতা নিশ্চিতকরণ।

 

৪০. সংগঠনের কোন নীতিকে Scalar Process নামে আখ্যা দেওয়া হয়েছে?

উত্তর : পদসোপান নীতিকে Scalar Process নামে আখ্যা দেওয়া হয় ।

 

৪১. পদসোপান নীতিকে স্কেলার পদ্ধতি নামে অভিহিত করেছেন কারা?

উত্তর : পদসোপান নীতিকে স্কেলার পদ্ধতি নামে অভিহিত করেছেন মুনি ও রাইলি।

 

৪২. স্কেলার পদ্ধতি কী?

উত্তর : কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনে ঊর্ধ্বতন ও অধস্তনের ভিত্তিতে সম্পর্কযুক্ত পদ্ধতিকে ফেলার পদ্ধতি বলে ।

৪৩. প্রপার চ্যানেল অর্থ কী?

উত্তর : প্রপার চ্যানেল অর্থ যথাযথ কর্তৃপক্ষ।

 

৪৪. পদসোপান নীতিকে ‘Channel of Comand’ বলেছেন কে?

উত্তর : পদসোপান নীতিকে ‘Channel of Comand’ বলেছেন L.D. White.

৪৫. স্কেল কী?

উত্তর : স্কেল হলো কর্তৃত্ব এবং দায়িত্ব অনুযায়ী সংগঠিত কর্তব্যের ধাপ ।

 

৪৬. পদসোপান নীতির প্রধান অসুবিধা কোনটি?

উত্তর : পদসোপান নীতির প্রধান অসুবিধা লালফিতার দৌরাত্ম্য।

 

৪৭. “পদসোপান নীতি হচ্ছে প্রশাসনিক সংগঠনের বিশ্বজনীন মূলনীতি।”— উক্তিটি কে করেছেন?

উত্তর : “পদসোপান নীতি হচ্ছে প্রশাসনিক সংগঠনের

বিশ্বজনীন মূলনীতি ।”— উক্তিটি করেছেন অধ্যাপক মুনি ।

 

৪৮. লাইন এজেন্সি কী?

উত্তর : সংগঠনের যে বিভাগ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের সাথে জড়িত থাকে তাকে লাইন এজেন্সি বলে ।

 

৪৯. স্টাফ এজেন্সি কী?

উত্তর : যারা কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে কিন্তু দায়িত্ব চর্চা করে না তাদেরকে স্টাফ এজেন্সি বলা হয়।

৫০. স্টাফ এজেন্সির কাজ কী?

উত্তর : স্টাফ এজেন্সি লাইন এজেন্সিকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করে ।

উক্ত বিষয় সম্পর্কে কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
আমাদের সাথে ইউটিউব চ্যানেলে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সাথে ফেইজবুক পেইজে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন
গুরুত্বপূর্ণ আপডেট ও তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন। ফ্রি পিডিএফ ফাইল এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন। প্রশাসন ও সংগঠনের নীতিমালা অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর(PDF)

Check Also

PDF অনার্স প্লেটোপাশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

PDF অনার্স প্লেটো:পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

PDF অনার্স প্লেটো:পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ও অনার্স প্লেটো:পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা, পর্ব – ১ ( প্রাচীন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *